আমি

আমি

 মা-বাবা

মা-বাবা

 ভাই-বোন

ভাই-বোন

 আত্মীয়

আত্মীয়

 বন্ধু ও সহপাঠী

বন্ধু ও সহপাঠী

 প্রতিবেশী

প্রতিবেশী

 শিক্ষক-শিক্ষিকা

শিক্ষক-শিক্ষিকা

প্রশ্ন-উত্তর ও আলোচনা

বয়ঃসন্ধি ও মাসিক নিয়ে খোলামেলাভাবে যেকোন প্রশ্ন করুন।
আমাদের বিশেষজ্ঞরা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সাহায্য করতে আপনার সাথে আছেন।

নাম:

ই-মেইল:

প্রশ্ন:


উত্তরঃ তোমার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক বিষয়। তুমি যে মাসিকের সময়ও স্কুলে যেতে চাও তা অত্যন্ত ইতিবাচক একটি মনোভাব। মাসিকের সময় অবশ্যই স্কুলে যাবে। যদি কাপড়ে দাগ লেগে যায় তবে তা একটু বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বটে, কিন্তু এতে লজ্জার কিছু নেই। এই সমস্যা সমাধানে তুমি যা যা করতে পারো তা হচ্ছে-

  • শুধু মাসিকের সময় নয়, সবসময়ই স্কুলের ব্যাগে একটি বা দুটি বাড়তি প্যাড বা পরিষ্কার গামছা রেখে দিতে পারো
  • তুমি তোমার বান্ধবীদের সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারো। যদি প্রত্যেকেই তাদের ব্যাগে বাড়তি প্যাড রেখে দেয় তবে একে অন্যের প্রয়োজনে সাহায্য করতে পারে
  • মাসিক চলাকালে স্কুলে গেলে একটু ঘন ঘন দেখতে পারো, প্যাড উপচে পড়ছে কিনা
  • ছোট্ট একটা সাবান রাখতে পারো। যাতে মাসিকের রক্ত লেগে গেলে তা সাবান দিয়ে আলতোভাবে ধুয়ে ফেলা যায়
  • বেশি সমস্যা হলে স্কুলে শ্রেণি শিক্ষিকাকে জানাতে পারো
সবচেয়ে বড় কথা, সব মেয়েরই মাসিক হয়। যদি দুর্ঘটনা বা অসাবধানতাবশত দাগ লেগেও যায়, তা নিয়ে লজ্জিত বা বিব্রত হওয়ার কিছু নেই। আত্মবিশ্বাসের সাথে বিষয়টি মোকাবেলা করতে হবে, কিছুতেই মনের জোর হারানো যাবে না।


মাসিক সংক্রান্ত নানা বিষয়ে আপনার ও আপনার আশেপাশের মানুষের মনোভাব জানতেই আমাদের মাসিক জরিপ; যেখানে ভোট দিয়ে আপনি জানাতে পারবেন আপনার মতামত।

মাসিকের সময় কি টক খাওয়া যায়?

Loading ... Loading ...

মাসিক কি কোন অসুস্থতা?

  • না (92%, 12 ভোট)
  • হ্যাঁ (8%, 1 ভোট)

সর্ব মোট ভোটার : 13

Loading ... Loading ...

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


কিশোরীকাল

 বয়ঃসন্ধি

বয়ঃসন্ধি

 বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক পরিবর্তন

বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক পরিবর্তন

 বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক পরিবর্তন

বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক পরিবর্তন

 বয়ঃসন্ধিকালীন সামাজিক পরিবর্তন

বয়ঃসন্ধিকালীন সামাজিক পরিবর্তন

মাসিকালাপ

 ঋতু বা মাসিক

ঋতু বা মাসিক

 প্রথম মাসিক

প্রথম মাসিক

 মাসিক চক্র

মাসিক চক্র

 মাসিক কেন হয়

মাসিক কেন হয়

তথ্য ও গবেষণা

খবরাখবর

নেত্রকোনা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে মেয়েদের জন্য মাসিক বান্ধব টয়লেট স্থাপিত

নেত্রকোনা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে মেয়েদের জন্য মাসিক বান্ধব টয়লেট স্থাপিত

নেত্রকোনা আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে মেয়েদের জন্য স্থাপিত হলো মাসিক বান্ধব টয়লেট। ডর্প-ঋতু প্রকল্পের স্কুল এন্ড কমিউনিটি মোবিলাইজার আসমা খাতুনের...

“ঋতু স্কুল ছাত্র-ছাত্রী ফোরাম ” ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে টয়লেট সমস্যার সমাধান

“ঋতু স্কুল ছাত্র-ছাত্রী ফোরাম ” ব্যবস্থাপনা কমিটির উদ্যোগে টয়লেট সমস্যার সমাধান

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলাধীন, মাসকা ইউনিয়নে অবস্থিত জয়কা সাতাশী উচ্চ বিদ্যালয় টি ১৯৭২ স্থাপিত হয়। এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৩৫ জন...

‘স্কুল পর্যায়ে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে বাজেট বরাদ্দকরণের গুরুত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠান

‘স্কুল পর্যায়ে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে বাজেট বরাদ্দকরণের গুরুত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠান

২৩ জুলাই (সোমবার) ২০১৮ দুপুর ২.০০ টায়, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘স্কুল পর্যায়ে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন...

গ্যালারি

আপনার অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা

 সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন গঠন

সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন গঠন

 মাসিককালীন স্বাস্থ্যকর উপকরণ প্রদান

মাসিককালীন স্বাস্থ্যকর উপকরণ প্রদান

আমাদের এগিয়ে চলা

৫২৩

ঋতুর সদস্য

৩৮৮০

ফেইসবুক লাইক

৮৭৪৩

সাইট ভিজিটর

ঋতুর কার্যক্রম

ঋতু স্কুল ক্যাম্পেইন

ঋতু স্কুল ভ্যান ঘুরে বেড়ায় স্কুলে স্কুলে। “ঋতু টিম” কথা বলে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সাথে। মাসিক নিয়ে তাদের ভাবনাগুলো জানা ও পাশাপাশি সচেতনতা তৈরি করা এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য। বছরব্যাপী এই ক্যাম্পেইন নেত্রকোনার ৮টি উপজেলার ৮৯টি স্কুলে অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং ৮ হাজার শিক্ষক ও অভিভাবক অংশগ্রহণ করবেন।

ফেইসবুক ক্যাম্পেইন

প্রতিটা মেয়ের জীবনেই প্রথম মাসিকের দিনটা একটু অন্যরকম। সম্পূর্ণ নতুন একটা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার গল্পটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম। আপনার প্রথম মাসিকের অভিজ্ঞতাটা ভিডিও করে বা ছোট্ট করে লিখে শেয়ার করুন ঋতুর ফেইসবুক পেইজ RituKothon -এ।

আপনার গল্পটা হয়ত সাহায্য করবে অন্য আরেকজনকে মাসিক নিয়ে কথা বলতে এগিয়ে আসতে।

বিস্তারিত

“মেয়েদের জন্য সেরা স্কুল” একটি টিভি রিয়েলিটি শো যার মাধ্যমে ঋতু খুঁজে বের করে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার দিক থেকে মেয়েদের জন্য সেরা স্কুলগুলোকে। বিভিন্ন বিভাগে নম্বরও দেয় ঋতু। আর ঋতুর সাথে থাকে তার সহকারী জুয়েল।

১৩ পর্বের হাসি আর মজায় ভরা এই টিভি সিরিজের মাধ্যমে ঋতু খুঁজে পায় মেয়েদের জন্য দেশের সেরা মাসিকবান্ধব স্কুলটিকে।

RituKothon -ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন নতুন তথ্য জানতে।
বিস্তারিত


বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া থেকে বাছাইকৃত সাংবাদিকদের ঋতু ফেলোশিপ দেয়া হবে। এই ফেলোশিপ অর্জনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সচেতনতামূলক আর্টিক্যাল, নিউজ ফিচার তৈরি করবেন সাংবাদিকরা।


আরও দেখুন

ঋতু

মাসিক বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছে ‘ঋতু’ প্রকল্প। বাংলায় ‘ঋতু’ বলতে কাল বোঝায় আবার মেয়েদের মাসিকও বোঝায়।

স্বাস্থ্যসম্মত মাসিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সকল মেয়েদের জন্য অনুসরণীয় করে তুলতে ‘ঋতু’ প্রকল্পটিকে ‘ঋতু’ নামের ১০ বছর বয়সী প্রাণোচ্ছ্বল একটি মেয়ের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

মা-বাবা ও বড় ভাইকে সবাইকে সাথে নিয়ে ঋতু জানাবে মাসিকের সময় কিভাবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ও আত্মবিশ্বাসের সাথে জীবনযাপন করতে হয়।

ঋতুর মাধ্যমে উপকৃত যারা

বাংলাদেশের কিশোরীদের গড়ে ১২ বছর ৮ মাস বয়সে প্রথম মাসিক হয়। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সী স্কুল পড়ুয়া মেয়েদের নিয়ে কাজ করবে ঋতু।

প্রথম মাসিক হওয়ার আগেই যাতে তারা শ্রেণিকক্ষে মাসিকের স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে পারে তার উপর জোর দেয়া হয়েছে।

প্রথম মাসিক হওয়ার সময় প্রাপ্ত তথ্য ও সচেতনতার প্রভাব যেন তাদের বাকি জীবনে কাজে আসে সে বিষয়টিও লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

ঋতু কেন

‘ঋতু’ কিশোরীদেরকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাসিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এমন উপায়ে সঠিক তথ্য দেবে ও সচেতন করবে যাতে মেয়েরা নিজেরা তা চর্চার পাশাপাশি অন্যদেরও, যেমন: মা, বাবা, ভাই, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবকেও একইভাবে এই বিষয়ে তথ্য দিয়ে সচেতন করে তুলতে পারে।

এই প্রজেক্টের প্রচারণার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিদ্যালয়গুলোকে বেছে নেয়া হয়েছে যাতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ক্লাসে ছেলেমেয়েদের একত্র করে একসাথে এ বিষয়ে সচেতন করে তুলতে পারে।

ঋতু প্রকল্পের অংশীদারবৃন্দ

‘ঋতু’ প্রকল্প বাস্তবায়নে আছে আন্তর্জাতিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সিমাভি, রেড অরেঞ্জ মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস এবং টিএনও।

বাংলাদেশে ‘ঋতু’ প্রকল্প বাস্তবায়নে সিমাভি ও রেড অরেঞ্জ প্রধান ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়া মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করবে বিএনপিএস এবং ডর্প।

ঋতু প্রকল্পটি অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত নেদারল্যান্ডস দূতাবাস।

প্রস্তাবিত এ কর্মসূচির নির্ধারিত সময়সীমা তিন বছর ছয় মাস। প্রথম ছয় মাসে কর্মসূচির উন্নয়ন এবং পরবর্তী তিন বছরে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

Ritu Online