মাসিকের সময় একটি সমস্যায় মেয়েরা খুব বেশি ভোগেন, আর তা হলো তলপেটে ব্যথা। এছাড়াও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মানসিক বিষণ্ণতাসহ নানা ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তলপেটে ব্যথা

ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে অনিষিক্ত ডিম্বাণু ও জরায়ুর ভেতরের স্তর মাসিকের সময় জরায়ুর সংকোচনের মাধ্যমে দেহের বাইরে চলে আসে।এ সংকোচনের ফলে জরায়ুর রক্তনালীগুলোও সংকুচিত হয়। জরায়ুরকোষগুলো অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়। এ সময় জরায়ু থেকে কিছু কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়। এগুলো ব্যথার জন্য দায়ী।

আবার সংকোচন বাড়ানোর জন্য দেহ প্রোস্টাগ্লান্ডিন নিঃসরণ করে। এটিও ব্যথা বাড়ায়।এটি কিন্তু স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাই মাসিকের সময় ব্যথা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে অনেকের ক্ষেত্রে ব্যথা চরম আকার ধারণ করে।

ডিসমেনোরিয়া বা মাসিককালীন ব্যথা দুই প্রকার। প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি। প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়াতে জরায়ুতে কোন রোগ থাকে না। মাসিক শুরু হওয়ার সাথে সাথে ব্যথা শুরু হতে পারে। ২-৩ দিন ব্যথা থাকে। বেশির ভাগ মেয়েরাই এ ধরণের ব্যথায় ভোগেন। জীবনের প্রথম মাসিকের সময় থেকেই এ ব্যথা শুরু হয়। সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া সাধারনত সন্তান জন্মদানের পর মেয়েদের প্রজননতন্ত্রে ইনফেকশনের কারণে দেখা যায়।

তথ্য উৎসঃ

http://all-power.weebly.com

http://www.infokosh.gov.bd