মাসিকের সময় ব্যথা হলে বিভিন্ন ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

  • পিঠ ও পেল্ভিক অংশে হিটিং প্যাড বা গরম পানির ব্যাগের সাহায্যে সেঁক দিতে হবে
  • তলপেটে হালকাভাবে তেল দিয়ে মালিশ করতে হবে
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে
  • গরম পানিতে গোসল করতে হবে
  • প্রতিবার টয়লেটে গিয়ে সাধারণ পানির পরিবর্তে উষ্ণ পানি ব্যবহার করতে হবে
  • কিছু হালকা ব্যায়াম করতে হবে। যেমন- হাঁটা বা হাত-পা নাড়ানো
  • পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। হালকা গরম পানি বা গরম জাতীয় পানীয় পান করলে ব্যথা কিছুটা কমতে পারে
  • বিভিন্ন রিলাক্সেশন টেকনিক, যেমনঃ যোগব্যায়াম (বিশেষত ভদ্রাসন, ভুজঙ্গ আসন) করা যেতে পারে
  • সিজবাথ নেয়া- ৩ মিনিট গরম পানিতে কোমর ডুবিয়ে বসে থাকতে হবে। পরের ২/১ মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে। এভাবে ২০/২৫ মিনিট সিজ বাথ নিতে হবে। এটাও সপ্তাহে টানা ৩/৪ দিন নিতে হবে। শুধু পানি বা পানিতে কিছু লবণ, বেকিং সোডা বা ভিনেগার ও ব্যবহার করা যায়
  • খুব বেশি ব্যথা হলে হালকা মাত্রার ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা যেতে পারে, যেগুলো সাধারণত ওষুধের দোকানেই কিনতে পাওয়া যায়। তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা উচিত
তথ্য উৎসঃ

http://healthbangla.com

http://www.thehealthsite.com

বেড়ে উঠি আস্থার সাথে – মাসিক বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি ও ব্যবস্থাপনা, মূল রচনাঃ মিরা পিল্লাই, অনুবাদকঃ সৈয়দ মোঃ নূরউদ্দিন, এরিয়া কো-অর্ডিনেটর, পিএসটিসি। প্রকাশনাঃ ইউবিআর বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স-এর পক্ষে আরএইচস্টেপ, এফপিএবি, পিএসটিসি, ডিএসকে, সিএইচসি