আমি

আমি

 মা-বাবা

মা-বাবা

 ভাই-বোন

ভাই-বোন

 আত্মীয়

আত্মীয়

 বন্ধু ও সহপাঠী

বন্ধু ও সহপাঠী

 প্রতিবেশী

প্রতিবেশী

 শিক্ষক-শিক্ষিকা

শিক্ষক-শিক্ষিকা

প্রশ্ন-উত্তর ও আলোচনা

বয়ঃসন্ধি ও মাসিক নিয়ে খোলামেলাভাবে যেকোন প্রশ্ন করুন।
আমাদের বিশেষজ্ঞরা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সাহায্য করতে আপনার সাথে আছেন।

    নাম:

    ই-মেইল:

    প্রশ্ন:


    প্রশ্ন কর্তার নাম :  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ

    বাজারে প্রচলিত অনেক ধরণের প্যাড আছে। একেক ধরণের প্যাডে একক ধরণের সুবিধা।  তবে সব ধরণের প্যাড সবার জন্য ব্যবহার উপযোগী নাও হতে পারে। যেমন, কেউ বেল্ট সিস্টেমের প্যাড এ আরাম বোধ করতে পারে আবার কেউ বেল্ট সিস্টেমের প্যাড এ। তাই আপনি যে প্যায পরে আরাম বোধ করেন সেটাই ব্যবহার করা ভালো। তবে যে প্যাডই ব্যবহার করেন না কেন, এটা ৪-৬ ঘন্টা পর পর পরিবর্তন করতে হবে। কারণ ৪-৬ ঘন্টা পর রক্ত থেকে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটতে পারে।

    মাসিক বা বয়:সন্ধি নিয়ে আরও জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন।

    https://rituonline.org/


    প্রশ্ন কর্তার নাম :  সাদিয়া

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ

    আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ

    আমাদের আরও কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় জানা প্রয়োজন যেমন, দুইবার মাসিকের মধ্যে ২১ দিন বা তার বেশি কি না। ‍যদি ২১ দিন বা তার বেশি হয় কবে ঠিক আছে।

    এছাড়া, আপনি কি পিল গ্রহন করেন? যদি করে থাকেন তবে কি তা নিয়মিত কি না তা জানাবেন।

    তবে আপনি, Normens – 5mg গ্রহণ করে দেখতে পারেন।


    প্রশ্ন কর্তার নাম :  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ

    এক্ষেত্রে আমাদের আরও কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় জানা প্রয়োজন। আপনার বয়স কত? আপনাদের বিয়ের বয়স কত? আপনাদের কি কোন সন্তান আছে? এবং শারীরিক মিলনের সময় ব্যাথা হয় কি না। ‍

    যদি শারীরিক মিলনের সময় বা পরে রক্তপাত ঘটে বা ব্যাথা হয়, তবে VIA or pap’s test করাতে পারেন।

    ধন্যবাদ।

     


    প্রশ্ন কর্তার নাম : ফারজানা রহমান

    উত্তর: আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ।

    আপনি Cap ZIF (0+1+0) ‍তিন মাস খেয়ে দেখুন। আশা করছি আপনার সমস্যার সমাধান হবে।

    পাশাপাশি প্রচুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। আয়রন আছে যে সব খাবারে:

    কলিজা
    আয়রনের সমৃদ্ধ উৎস হচ্ছে কলিজা। এছাড়াও এতে ভিটামিন, খনিজ লবন ও প্রোটিন থাকে। গরুর কলিজাতে আয়রনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। কলিজা খেতে পছন্দ না করলে ডিম ও লাল মাংস খাওয়া যেতে পারে। আধা কাপ ডিমের কুসুমে ৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে এবং ৩ আউন্স লাল মাংসে ২-৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে।

    ডার্ক চকলেট
    ডার্ক চকলেট শরীরের জন্য ভালো। এটি আয়রনের একটি ভালো উৎস এবং এতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্টও থাকে।

    ছোলা
    এক কাপ ছোলাতে ৫ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে এবং এতে পরিমিত প্রোটিনও থাকে। নিরামিষ ভোজীদের জন্য ছোলা আদর্শ খাদ্য। ছোলা খুবই উপাদেয় খাবার।

    কুমড়ার বিচি
    এক কাপ কুমড়ার বিচিতে ২ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। সুস্বাদু কুমড়ার বীচি রান্না করে,সালাদের সাথে,সিদ্ধ করে বা ভেঁজে বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যায়।

    ডালজাতীয় খাবার
    আয়রনের একটি ভালো উৎস হল ডাল। এক কাপ ডালে ৬ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে এবং প্রচুর ফাইবার থাকে।এতে কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কম থাকে এবং রক্তের সুগার লেভেল ঠিক রাখে।

    পালং শাক
    এক কাপ রান্না করা পালংশাকে ৬ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, এছাড়াও এতে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন ই থাকে। রান্না করা পালং শাক এর পুষ্টি উপাদান খুব সহজেই শরীর শোষণ করে নিতে পারে।

    সিদ্ধ আলু
    সিদ্ধ আলুতে ভিটামিন সি, বি ভিটামিন, প্রচুর পটাশিয়াম থাকার পাশাপাশি উচ্চমাত্রার আয়রনও থাকে। খোসা সহ একটি সিদ্ধ আলুতে থাকে ৩ মিলিগ্রাম আয়রন।

    বয়:সন্ধি ও মাসিক নিয়ে আরও জানতে আমাদের অনলেইনে ভিজিট করুন:

    https://rituonline.org/


    প্রশ্ন কর্তার নাম : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

    যদি ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে হয়, তবে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই।

    আর পেটে ব্যাথা হলে tab Visceralgin (50mg) (1+0+ 1) ‍তিন দিন খেতে পারে।

    ধন্যবাদ


    প্রশ্ন কর্তার নাম :  মো: জিয়া

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ

    মাসিক শুরু হওয়ার আগেই মাসিককালীন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা দরকার। মাসিকের সময় স্বাস্থ্যের বিশেষভাবে যত্ন নেয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা জরুরি, যাতে পরবর্তিকালে কোন জটিলতার সৃষ্টি না হয়।

    #ক্যালেন্ডার বা ডায়েরিতে মাসিক শুরু ও শেষ হওয়ার তারিখে দাগ দিয়ে মাসিক চক্র পর্যবেক্ষণ করা দরকার
    #মাসিকের সময় সুষম খাবার খেতে হবে যাতে দেহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়
    #ব্যবহৃত প্যাড বা কাপড় কাগজ দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে আবর্জনায় ফেলতে হবে। টয়লেটের মধ্যে কোনভাবেই ফেলা যাবে না; নয়তো সুয়ারেজ লাইন বন্ধ হয়ে যেতে পারে
    #প্রতি ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর পর প্যাড বা কাপড় পরিবর্তন করা, যাতে করে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ না হয়। রক্তপ্রবাহ বেশি হলে আরো কম সময়ের মধ্যেও পরিবর্তন করা যেতে পারে
    #যথাযথভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা দরকার ও মাসিকের দিনগুলোতে নিয়মিত গোসল করতে হবে
    #মাসিকের সময় মানসিক চাপ মুক্ত থেকে ও দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত না হয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে কর্মচঞ্চল জীবনযাপন করতে হবে

    মাসিক সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে ভিজিট করুন:

    https://rituonline.org/

    https://www.youtube.com/channel/UCudQLrvpObNAg-DCdspatLQ

    https://www.facebook.com/RituKothon/


    প্রশ্ন কর্তার নাম :  মো: জিয়া

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ

    স্বপ্নদোষ হলো একজন মানুষের ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা অনুভব বা বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। বয়:সন্ধিকালে শরীরে নানা ধরণের পরিবর্তন আসে। এ সময় শরীরের বিভিন্ন জনন অঙ্গের সঠিকভাবে বৃদ্ধি এবং নিউট্রিশন ব্যালেন্সের জন্য শরীর বেশি বেশি পরিমাণে টেস্টোরেন হরমোন তৈরি করতে থাকে যা মাঝেমাছে ঘুমের মধ্যে ইরেকশন ঘটায় বা যৌন উত্তেজনা তৈরি করে। এটাই স্বপ্নদোষ। স্বপ্নদোষ মানেই কেবল ইরেকশন বা বীর্যপাত নয়। ইরেকশন বা বীর্যপাত ছাড়াও কেবল যৌন উত্তেজনার মাধ্যমেও স্বপ্নদোষ হতে পারে। অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ। কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করানন্ধ এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। কিন্তু এটি আসলে কোন রোগ নয় বরং প্রকৃতিক ও স্বাভাবিক ব্যাপার। শরীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক নিয়মেই এটি ঘটে থাকে। তবে যদি অতিরিক্ত বীর্যপাত ঘটে বা এর ফলে শরীর অতিরক্ত দর্বল হয়ে পরে তবে অবশ্যই কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিৎ।


    প্রশ্ন কর্তার নাম :  রানা

    উত্তর: 

    রানা, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক সাধারণত ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে যদি তা ১০ থেকে ১২ দিন বা তার চেয়েও বেশি সময় ধরে চলতে থাকে তবে অবশ্যই গাইনী বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে। মাসিক সম্পর্কে আরও জানতে ঋতু অনলাইনের সাথে থাকুন এবং সদস্য হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করুন এই লিংকে – https://www.rituonline.org/


    প্রশ্ন কর্তার নাম : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ

    মেঘা, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক সাধারণত ২৮ দিন পর পর হয়ে থাকে। তবে ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে যদি হয়ে থাকে তবে তা স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু আপনার যদি প্রায়ই সময়মত (তারিখ অনুযায়ী) মাসিক না হয় এবং ২ থেকে ৩ মাস মাসিক বন্ধ থাকে তবে সেক্ষেত্রে গাইনী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া দরকার।
    মাসিক সম্পর্কে আরও জানতে ঋতু অনলাইনের সাথে থাকুন এবং রেজিস্ট্রেশন করুন ঋতু অনলাইনে: https://www.rituonline.org/


    প্রশ্ন কর্তার নাম : ফাইজা ইসলাম

    উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ

    মাসিক সাধারণত ৯-১৫ বছর বয়সে শুরু হয় এবং সাধারণত ৪৪-৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত চলে। মাসিক সাধারণত ২৮ দিন পর পর শুরু হয়ে থাকে এবং ৩-১০ দিন পর্যন্ত চলে। তবে এ সব কিছুই ব্যক্তি বিশেষে আলাদা হয়ে থাকে। অর্থাৎ কারও ৯ বছর বয়সে মাসিক শুরু হতে পারে আবার কারও ১৫ বছরেও শুরু হতে পারে। হরমনের প্রভাব ও খাদ্যাভাস সহ বিভিন্ন করণে ব্যক্তি বিশেষে মাসিক শুরু হওয়ার সময় আলাদা হয়ে থাকে। আপনার বয়স যেহেতু ১০ বছর, এখনই উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আপনি অপেক্ষা করুন। যদি ১৫ বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও আপনার মাসিক শুরু না হয় তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরমর্শ নিতে হবে। ধন্যবাদ

    
    
    মাসিক সংক্রান্ত নানা বিষয়ে আপনার ও আপনার আশেপাশের মানুষের মনোভাব জানতেই আমাদের মাসিক জরিপ; যেখানে ভোট দিয়ে আপনি জানাতে পারবেন আপনার মতামত।

    মাসিক কি কোন অসুস্থতা?

    Loading ... Loading ...

    মাসিকের সময় কি টক খাওয়া যায়?

    Loading ... Loading ...

    মাসিকের সময় ঘরে থাকা উচিত, এ সময় বাড়ির বাইরে না যাওয়াই ভালো; এ বিষয়ে আপনি কি একমত?

    Loading ... Loading ...

    মাসিকের সময় কি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত?

    Loading ... Loading ...

    মাসিকের কাপড় বা প্যাড ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পরপর বদলানো উচিত, এ বিষয়ে আপনি কি একমত?

    Loading ... Loading ...
    
    

    কিশোরীকাল

     বয়ঃসন্ধি

    বয়ঃসন্ধি

     বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক পরিবর্তন

    বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক পরিবর্তন

     বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক পরিবর্তন

    বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক পরিবর্তন

     বয়ঃসন্ধিকালীন সামাজিক পরিবর্তন

    বয়ঃসন্ধিকালীন সামাজিক পরিবর্তন

    মাসিকালাপ

     ঋতু বা মাসিক

    ঋতু বা মাসিক

     প্রথম মাসিক

    প্রথম মাসিক

     মাসিক চক্র

    মাসিক চক্র

     মাসিক কেন হয়

    মাসিক কেন হয়

    তথ্য ও গবেষণা

    খবরাখবর

    মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন

    মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন

    মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হলো স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মাত্র ৫টাকার বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০...

    এদেশের কিশোরী মেয়েদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এবং মাসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতার  পাশাপাশি প্রয়োজন এরকম কিছু যুগোপযোগী উদ্যোগ

    এদেশের কিশোরী মেয়েদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এবং মাসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতার পাশাপাশি প্রয়োজন এরকম কিছু যুগোপযোগী উদ্যোগ

              “নিজেদের পারস্পরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েকজন কিশোীর মেয়ে যাতে একইসাথে যেতে পারে, তাই এখানে ৩...

    জাতীয় পর্যায়ে ক্যাম্পেইন ও অ্যাডভোকেসি

     জার্নালিস্ট ফেলোশিপ

    জার্নালিস্ট ফেলোশিপ

     পলিসি ব্রিফ

    পলিসি ব্রিফ

     মেয়েদের সেরা স্কুল

    মেয়েদের সেরা স্কুল

     টিভিসি

    টিভিসি

    গ্যালারি

    আপনার অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা

     সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন গঠন

    সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন গঠন

     মাসিককালীন স্বাস্থ্যকর উপকরণ প্রদান

    মাসিককালীন স্বাস্থ্যকর উপকরণ প্রদান

    আমাদের এগিয়ে চলা

    ১৪২৭

    ঋতুর সদস্য

    ১৯,৬৫২

    ফেইসবুক লাইক

    ২২,২১০

    সাইট ভিজিটর

    ঋতুর কার্যক্রম

    ঋতু’ কিশোরীদেরকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাসিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এমন উপায়ে সঠিক তথ্য দেবে ও সচেতন করবে যাতে মেয়েরা নিজেরা তা চর্চার পাশাপাশি অন্যদেরও, যেমন: মা, বাবা, ভাই, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবকেও একইভাবে এই বিষয়ে তথ্য দিয়ে সচেতন করে তুলতে পারে। অ্যানিমেশন মানুষকে সহজে আকৃষ্ট করে। তাই ঋতু প্রকল্পে ৩ বছরে ৩টি অ্যানিমেশন তৈরি করা হবে যাতে করে বিনোদনের মাধ্যমে সহজে মানুষ তথ্য গ্রহণ করতে পারে।

    বর্তমানে আন্ত:যোগযোগের সবচেয়ে জন:প্রিয় মাধ্যম হলো ফেসবুক। এই প্লাটফর্মের সহায্যে খুব সহজেই কোন তথ্য বা উপাত্ত দ্রুত সময়ের মাধ্যে সবার কাছে পৌঁছে যায়। তাই ঋতু প্রকল্প তার প্রকল্প এলাকার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারণা চালাতে ফেসবুক পেইজ ব্যবহার করে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে। ঋতু কথন নামের এই পেইজে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল তথ্য চিত্রের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরিতে প্রচারণা চালানো হয়।

    বয়:সন্ধি ও মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল তথ্য, চিত্র, ভিডিও ও প্রকল্পের সকল কার্যক্রমের প্রদর্শনী ও প্রচারণার জন্য ঋতু প্রকল্প একটি অনলাইন সাইট হোস্টিং করে। ঋতু অনলাইন নামের এই পেইজটি ও ঋতু কথন ফেসবুক পেইজের মাধমে সচেতনতা তৈরিতে প্রচারণা চালানো হয়।

    ১০-১৩ বছর বয়সী কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে ঋতু প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসকল কার্যক্রম থেকে উল্লেখযোগ্য কর্যক্রম সমূহ, যেগুলোর বৈশিষ্ট্য স্বকীয় এবং মাসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আচরণগত পরিবর্তন সাধনে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করেছে সেকল কার্যক্রমের কর্মপদ্ধতি, চ্যালেঞ্চ সমূহ এবং এর ফলে পরিবর্তন সমূহ ভিজুয়াল ডকুমেন্টেশন করা।

    ঋতু স্কুল ভ্যান ঘুরে বেড়ায় স্কুলে স্কুলে। “ঋতু টিম” কথা বলে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সাথে। মাসিক নিয়ে তাদের ভাবনাগুলো জানা ও পাশাপাশি সচেতনতা তৈরি করা এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য। বছরব্যাপী এই ক্যাম্পেইন নেত্রকোনার ৮টি উপজেলার ৮৯টি স্কুলে অনুষ্ঠিত হবে। মাসিক নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জড়তা ভেঙে খোলামেলা আলোচনার পরিবেশ তৈরি করাই এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য।

    “মেয়েদের সেরা স্কুল” একটি টিভি রিয়েলিটি শো যার মাধ্যমে ঋতু খুঁজে বের করে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার দিক থেকে মেয়েদের জন্য সেরা স্কুলগুলোকে। বিভিন্ন বিভাগে নম্বরও দেয় ঋতু। আর ঋতুর সাথে থাকে তার সহকারী জুয়েল। ১৩ পর্বের হাসি আর মজায় ভরা এই টিভি সিরিজের মাধ্যমে ঋতু খুঁজে পায় মেয়েদের জন্য দেশের সেরা মাসিকবান্ধব স্কুলটিকে। স্কল ক্যাম্পেইনের সময় স্কুলগুলোতে এই রিয়েলিটি শো এর মধ্য থেকে একটি পর্ব দেখানো হয় যা ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের মধ্য থেকে জড়তা কাটাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

    প্রকল্পের পরিচিতি এবং এর উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পলিসি স্টেকহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারী বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন এনজিও ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ঋতু প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

    মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে রেডিও ও টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হবে। জনপ্রিয় অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের অংশগ্রহণে নির্মিত হবে এই বিজ্ঞপানগুলো যার উদ্দেশ্য হলো মাসিক নিয়ে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা দূর করে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে সমাজে মাসিক বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা।

    মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকাদের মধ্য থেকে ৪ জন তারকাকে ব্র্যান্ড এম্বাসেডর করবে ঋতু প্রকল্প। মাসিক একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং এ বিষয়ে অযথা সংকোচ বা কুসংস্কারের বিপরীতে যথাযথ সচেতনতা ও সঠিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা খুব জরুরি- এই বিষয়টি সবার কাছে তুলে ধরতে তারা রেডিও, টেলিভিশনের পাশাপাশি পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপনে অংশ নেবে।

    রেডিও ও টেলিভিশনে বিজ্ঞাপনের বিষয় বস্তুর সাথে মিল রেখে এবং টেলিভিশন ও রেডিও বিজ্ঞাপনের স্থির চিত্র নিয়ে খবরের কাগজে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করতে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে। টেলিভিশন ও রেডিও এর দর্শকের পাশাপাশি পত্র-পত্রিকার পাঠকদের একই বিষয়ে তথ্য প্রদান করাই এই পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য।

    বয়:সন্ধি ও মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল তথ্য, চিত্র, ভিডিও ও প্রকল্পের সকল কার্যক্রমের প্রদর্শনী ও প্রচারণার জন্য ঋতু প্রকল্প একটি অনলাইন সাইট হোস্টিং করে। ঋতু অনলাইন নামের এই পেইজটি ও ঋতু কথন ফেসবুক পেইজের মাধমে সচেতনতা তৈরিতে প্রচারণা চালানো হয়। বিষয় ভিত্তিক তথ্য ও উপাত্ত নিয়ে এবং প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রমের খবরাখবর, প্রশ্ন-উত্তর পর্ব, গবেষণা সমূহ ও ব্লগ সেকশন নিয়ে এই প্ল্যাটফর্মটি সাজানো এবং এটি নিয়মিত আপডেট করা হয়ে থাকে।

    প্রকল্প এলাকার ৮৯ টি স্কুলের ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেনীর ছাত্রীদের জন্য মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সহায়িকা হিসেবে টেক-হোম মডিউল তৈরি করা হয়। পাশপাশি এই সকল ছাত্রীদের বাবা-মা, ভাই-বোন ও পরিবারের অন্যান্য বয়ষ্ক সদস্যদের জন্যও একই তথ্য সম্বলিত ভিন্ন ভিন্ন সহায়িকা তৈরি করা হয়। এসকল সহায়িকা কতটুকু ফলপ্রসু হচ্ছে এবং বোধগম্যতা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্প এলাকার বাইরে অন্যান্য স্কুলে বিভিন্ন গ্রুপের জন্য তৈরি সহায়িকা ঐ সকল গ্রুপের মধ্যে আলোচনা করা হয়।

    প্রকল্প এলাকার ৮৯ টি স্কুলের ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেনীর ছাত্রীদের জন্য মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সহায়িকা হিসেবে টেক-হোম মডিউল তৈরি করা হয়। পাশপাশি এই সকল ছাত্রীদের বাবা-মা, ভাই-বোন ও পরিবারের অন্যান্য বয়ষ্ক সদস্যদের জন্যও একই তথ্য সম্বলিত ভিন্ন ভিন্ন সহায়িকা তৈরি করা হয়। বয়:সন্ধি, মাসিক ও মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যের পাশপাশি এ সময় কার কি করণীয় সে সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেয় হয়েছে।

    বাংলাদেশে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলতে ৪০ মিনিটের একটি ডকু-মুভি তৈরি করা হবে। বর্তমানে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে যে নিরবতা এবং প্রচলিত নানা কুসংস্কার ও এর ফলে কিশোরীদের প্রতিনিয়ত যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয় তার প্রতিফলন ঘটবে এই ডকু-মুভিতে। পাশাপাশি এ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ঋতু প্রকল্পের উদ্যোগ ও এর ফলে পরিবর্তনগুলোও উঠে আসবে এই ডকু-মুভিতে।

    সাংবাদিকগণ তাদের বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্য নির্ভর লেখার মাধ্যমে সহজেই সমাজের মানুষ তথা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। আর তাই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন ও অনলাইন পত্রিকা থেকে ৯০ জন সাংবাদিক নিয়ে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করা হবে। এই সাংবাদিকগণ তাদের লেখার মাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব নিয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে এবং সরকারের নীতি নির্ধারক পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সহায়তা করবে।

    বায়োডিগ্রেডেবল বা পচনশীল স্যানিটারি ন্যাপকিন এর স্যাম্পল তৈরির পাশাপাশি এই ন্যাপকিন তৈরিতে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্রযুক্তিগত উন্নয়ণের লক্ষ্যে কাজ করছে টিএনও। এই প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায় আগে নেদারল্যান্ড এ পরিচালিত হবে। পরবর্তিতে যন্ত্রপাতির পর্যাপ্ততা ও কর্মদক্ষতার উপর ভিত্তি করে স্থানীয়ভাবে বাংলাদেশেও এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

    • বাংলাদেশের মাটি ও স্টার্চ এর পর্যাপ্ততা নিয়ে গবেষণা। নেদারল্যান্ড দূতাবাসের সহযোগীতায় তাদের স্থানীয় সহযোগীরা উপাদানগুলো খুঁজে বের করবে এবং তাদের দাম, বিবরণী ইত্যাদি সংগ্রহ করবে।
    • প্লাস্টিক অ্যান্টি-লিকেজ স্তর এর দাম সনাক্ত করা, স্ট্রিপ ঠিক করা এবং বর্তমানে যারা স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি করে সেরকম কোম্পানি যেমন এসএস্মসি, জয়া স্যানিটারি ন্যাপকিন, ইত্যাদির জন্য আরামদায়ক টপ লেয়ার যাচাই করা।
    • অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার সংক্ষিপ্ত অধ্যয়ন, নেদারল্যান্ডসে বর্তমানে প্রাপ্ত স্টার্চ কণিকার উপর নির্ভর করে এবং থিন ফিল্মের উপর পন্য তৈরি করা এবং তা বাংলাদেশের স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে ব্যবহার করা।
    • বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত মাটির সাথে ২৫-৩০ মাত্রার ম্যাট্রিক্স, বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত স্টার্চ রডেনবার্গ বায়োপলিমার এর বিভিন্ন মাত্রার মিশ্রণ।
    • পচনশীল তন্তুর নিষ্কাশন/ মিশ্রণ এর গঠন
    • উপরের পাতলা স্তর, অ্যান্টি লিকেজ স্তর এবং ফিক্সেশন স্ট্রাইপ এর জন্য পচনশীল ফিল্ম তৈরি করা।
    • পচনশীল স্যানিটারি ন্যাপকিন এর প্রোটোটাইপ তৈরি করা
    • কারখানায় পচনশীল ফয়েল/তন্তু উৎপাদন এর পরামর্শ।

    ঋতু

    মাসিক বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছে ‘ঋতু’ প্রকল্প। বাংলায় ‘ঋতু’ বলতে কাল বোঝায় আবার মেয়েদের মাসিকও বোঝায়।

    স্বাস্থ্যসম্মত মাসিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সকল মেয়েদের জন্য অনুসরণীয় করে তুলতে ‘ঋতু’ প্রকল্পটিকে ‘ঋতু’ নামের ১০ বছর বয়সী প্রাণোচ্ছ্বল একটি মেয়ের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

    মা-বাবা ও বড় ভাইকে সবাইকে সাথে নিয়ে ঋতু জানাবে মাসিকের সময় কিভাবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ও আত্মবিশ্বাসের সাথে জীবনযাপন করতে হয়।

    ঋতুর মাধ্যমে উপকৃত যারা

    বাংলাদেশের কিশোরীদের গড়ে ১২ বছর ৮ মাস বয়সে প্রথম মাসিক হয়। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সী স্কুল পড়ুয়া মেয়েদের নিয়ে কাজ করবে ঋতু।

    প্রথম মাসিক হওয়ার আগেই যাতে তারা শ্রেণিকক্ষে মাসিকের স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে পারে তার উপর জোর দেয়া হয়েছে।

    প্রথম মাসিক হওয়ার সময় প্রাপ্ত তথ্য ও সচেতনতার প্রভাব যেন তাদের বাকি জীবনে কাজে আসে সে বিষয়টিও লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

    ঋতু কেন

    ‘ঋতু’ কিশোরীদেরকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাসিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এমন উপায়ে সঠিক তথ্য দেবে ও সচেতন করবে যাতে মেয়েরা নিজেরা তা চর্চার পাশাপাশি অন্যদেরও, যেমন: মা, বাবা, ভাই, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবকেও একইভাবে এই বিষয়ে তথ্য দিয়ে সচেতন করে তুলতে পারে।

    এই প্রজেক্টের প্রচারণার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিদ্যালয়গুলোকে বেছে নেয়া হয়েছে যাতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ক্লাসে ছেলেমেয়েদের একত্র করে একসাথে এ বিষয়ে সচেতন করে তুলতে পারে।

    ঋতু প্রকল্পের অংশীদারবৃন্দ

    ‘ঋতু’ প্রকল্প বাস্তবায়নে আছে আন্তর্জাতিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সিমাভি, রেড অরেঞ্জ মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস এবং টিএনও।

    বাংলাদেশে ‘ঋতু’ প্রকল্প বাস্তবায়নে সিমাভি ও রেড অরেঞ্জ প্রধান ভূমিকা পালন করবে।

    এছাড়া মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করবে বিএনপিএস এবং ডর্প।

    ঋতু প্রকল্পটি অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত নেদারল্যান্ডস দূতাবাস।

    প্রস্তাবিত এ কর্মসূচির নির্ধারিত সময়সীমা তিন বছর ছয় মাস। প্রথম ছয় মাসে কর্মসূচির উন্নয়ন এবং পরবর্তী তিন বছরে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

    Ritu Online