প্রশ্ন কর্তার নাম :  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ বাজারে প্রচলিত অনেক ধরণের প্যাড আছে। একেক ধরণের প্যাডে একক ধরণের সুবিধা।  তবে সব ধরণের প্যাড সবার জন্য ব্যবহার উপযোগী নাও হতে পারে। যেমন, কেউ বেল্ট সিস্টেমের প্যাড এ আরাম বোধ করতে পারে আবার কেউ বেল্ট সিস্টেমের প্যাড এ। তাই আপনি যে প্যায পরে আরাম বোধ করেন সেটাই ব্যবহার করা ভালো। তবে যে প্যাডই ব্যবহার করেন না কেন, এটা ৪-৬ ঘন্টা পর পর পরিবর্তন করতে হবে। কারণ ৪-৬ ঘন্টা পর রক্ত থেকে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটতে পারে। মাসিক বা বয়:সন্ধি নিয়ে আরও জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন। https://rituonline.org/

প্রশ্ন কর্তার নাম :  সাদিয়া উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ আমাদের আরও কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় জানা প্রয়োজন যেমন, দুইবার মাসিকের মধ্যে ২১ দিন বা তার বেশি কি না। ‍যদি ২১ দিন বা তার বেশি হয় কবে ঠিক আছে। এছাড়া, আপনি কি পিল গ্রহন করেন? যদি করে থাকেন তবে কি তা নিয়মিত কি না তা জানাবেন। তবে আপনি, Normens – 5mg গ্রহণ করে দেখতে পারেন।

প্রশ্ন কর্তার নাম :  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ এক্ষেত্রে আমাদের আরও কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় জানা প্রয়োজন। আপনার বয়স কত? আপনাদের বিয়ের বয়স কত? আপনাদের কি কোন সন্তান আছে? এবং শারীরিক মিলনের সময় ব্যাথা হয় কি না। ‍ যদি শারীরিক মিলনের সময় বা পরে রক্তপাত ঘটে বা ব্যাথা হয়, তবে VIA or pap’s test করাতে পারেন। ধন্যবাদ।  

প্রশ্ন কর্তার নাম : ফারজানা রহমান উত্তর: আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ। আপনি Cap ZIF (0+1+0) ‍তিন মাস খেয়ে দেখুন। আশা করছি আপনার সমস্যার সমাধান হবে। পাশাপাশি প্রচুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। আয়রন আছে যে সব খাবারে: কলিজা আয়রনের সমৃদ্ধ উৎস হচ্ছে কলিজা। এছাড়াও এতে ভিটামিন, খনিজ লবন ও প্রোটিন থাকে। গরুর কলিজাতে আয়রনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। কলিজা খেতে পছন্দ না করলে ডিম ও লাল মাংস খাওয়া যেতে পারে। আধা কাপ ডিমের কুসুমে ৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে এবং ৩ আউন্স লাল মাংসে ২-৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। ডার্ক চকলেট ডার্ক চকলেট শরীরের জন্য ভালো। এটি আয়রনের একটি ভালো উৎস এবং এতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্টও থাকে। ছোলা এক কাপ ছোলাতে ৫ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে এবং এতে পরিমিত প্রোটিনও থাকে। নিরামিষ ভোজীদের জন্য ছোলা আদর্শ খাদ্য। ছোলা খুবই উপাদেয় খাবার। কুমড়ার বিচি এক কাপ কুমড়ার বিচিতে ২ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। সুস্বাদু কুমড়ার বীচি রান্না করে,সালাদের সাথে,সিদ্ধ করে বা ভেঁজে বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যায়। ডালজাতীয় খাবার আয়রনের একটি ভালো উৎস হল ডাল। এক কাপ ডালে ৬ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে এবং প্রচুর ফাইবার থাকে।এতে কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কম থাকে এবং রক্তের সুগার লেভেল ঠিক রাখে। পালং শাক এক কাপ রান্না করা পালংশাকে ৬ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, এছাড়াও এতে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন ই থাকে। রান্না করা পালং শাক এর পুষ্টি উপাদান খুব সহজেই শরীর শোষণ করে নিতে পারে। সিদ্ধ আলু সিদ্ধ আলুতে ভিটামিন সি, বি ভিটামিন, প্রচুর পটাশিয়াম থাকার পাশাপাশি উচ্চমাত্রার আয়রনও থাকে। খোসা সহ একটি সিদ্ধ আলুতে থাকে ৩ মিলিগ্রাম আয়রন। বয়:সন্ধি ও মাসিক নিয়ে আরও জানতে আমাদের অনলেইনে ভিজিট করুন: https://rituonline.org/

প্রশ্ন কর্তার নাম : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যদি ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে হয়, তবে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। আর পেটে ব্যাথা হলে tab Visceralgin (50mg) (1+0+ 1) ‍তিন দিন খেতে পারে। ধন্যবাদ

প্রশ্ন কর্তার নাম :  মো: জিয়া উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ মাসিক শুরু হওয়ার আগেই মাসিককালীন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা দরকার। মাসিকের সময় স্বাস্থ্যের বিশেষভাবে যত্ন নেয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা জরুরি, যাতে পরবর্তিকালে কোন জটিলতার সৃষ্টি না হয়। #ক্যালেন্ডার বা ডায়েরিতে মাসিক শুরু ও শেষ হওয়ার তারিখে দাগ দিয়ে মাসিক চক্র পর্যবেক্ষণ করা দরকার #মাসিকের সময় সুষম খাবার খেতে হবে যাতে দেহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় #ব্যবহৃত প্যাড বা কাপড় কাগজ দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে আবর্জনায় ফেলতে হবে। টয়লেটের মধ্যে কোনভাবেই ফেলা যাবে না; নয়তো সুয়ারেজ লাইন বন্ধ হয়ে যেতে পারে #প্রতি ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর পর প্যাড বা কাপড় পরিবর্তন করা, যাতে করে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ না হয়। রক্তপ্রবাহ বেশি হলে আরো কম সময়ের মধ্যেও পরিবর্তন করা যেতে পারে #যথাযথভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা দরকার ও মাসিকের দিনগুলোতে নিয়মিত গোসল করতে হবে #মাসিকের সময় মানসিক চাপ মুক্ত থেকে ও দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত না হয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে কর্মচঞ্চল জীবনযাপন করতে হবে মাসিক সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে ভিজিট করুন: https://rituonline.org/ https://www.youtube.com/channel/UCudQLrvpObNAg-DCdspatLQ https://www.facebook.com/RituKothon/

প্রশ্ন কর্তার নাম :  মো: জিয়া উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ স্বপ্নদোষ হলো একজন মানুষের ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা অনুভব বা বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। বয়:সন্ধিকালে শরীরে নানা ধরণের পরিবর্তন আসে। এ সময় শরীরের বিভিন্ন জনন অঙ্গের সঠিকভাবে বৃদ্ধি এবং নিউট্রিশন ব্যালেন্সের জন্য শরীর বেশি বেশি পরিমাণে টেস্টোরেন হরমোন তৈরি করতে থাকে যা মাঝেমাছে ঘুমের মধ্যে ইরেকশন ঘটায় বা যৌন উত্তেজনা তৈরি করে। এটাই স্বপ্নদোষ। স্বপ্নদোষ মানেই কেবল ইরেকশন বা বীর্যপাত নয়। ইরেকশন বা বীর্যপাত ছাড়াও কেবল যৌন উত্তেজনার মাধ্যমেও স্বপ্নদোষ হতে পারে। অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ। কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করানন্ধ এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। কিন্তু এটি আসলে কোন রোগ নয় বরং প্রকৃতিক ও স্বাভাবিক ব্যাপার। শরীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক নিয়মেই এটি ঘটে থাকে। তবে যদি অতিরিক্ত বীর্যপাত ঘটে বা এর ফলে শরীর অতিরক্ত দর্বল হয়ে পরে তবে অবশ্যই কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিৎ।

প্রশ্ন কর্তার নাম :  রানা উত্তর:  রানা, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক সাধারণত ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে যদি তা ১০ থেকে ১২ দিন বা তার চেয়েও বেশি সময় ধরে চলতে থাকে তবে অবশ্যই গাইনী বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে। মাসিক সম্পর্কে আরও জানতে ঋতু অনলাইনের সাথে থাকুন এবং সদস্য হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করুন এই লিংকে – https://www.rituonline.org/

প্রশ্ন কর্তার নাম : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ মেঘা, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক সাধারণত ২৮ দিন পর পর হয়ে থাকে। তবে ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে যদি হয়ে থাকে তবে তা স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু আপনার যদি প্রায়ই সময়মত (তারিখ অনুযায়ী) মাসিক না হয় এবং ২ থেকে ৩ মাস মাসিক বন্ধ থাকে তবে সেক্ষেত্রে গাইনী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া দরকার। মাসিক সম্পর্কে আরও জানতে ঋতু অনলাইনের সাথে থাকুন এবং রেজিস্ট্রেশন করুন ঋতু অনলাইনে: https://www.rituonline.org/

প্রশ্ন কর্তার নাম : ফাইজা ইসলাম উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ মাসিক সাধারণত ৯-১৫ বছর বয়সে শুরু হয় এবং সাধারণত ৪৪-৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত চলে। মাসিক সাধারণত ২৮ দিন পর পর শুরু হয়ে থাকে এবং ৩-১০ দিন পর্যন্ত চলে। তবে এ সব কিছুই ব্যক্তি বিশেষে আলাদা হয়ে থাকে। অর্থাৎ কারও ৯ বছর বয়সে মাসিক শুরু হতে পারে আবার কারও ১৫ বছরেও শুরু হতে পারে। হরমনের প্রভাব ও খাদ্যাভাস সহ বিভিন্ন করণে ব্যক্তি বিশেষে মাসিক শুরু হওয়ার সময় আলাদা হয়ে থাকে। আপনার বয়স যেহেতু ১০ বছর, এখনই উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আপনি অপেক্ষা করুন। যদি ১৫ বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও আপনার মাসিক শুরু না হয় তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরমর্শ নিতে হবে। ধন্যবাদ