প্রশ্ন কর্তার নাম ও ইমেইল: রিয়া, shimantahasan692@gmail.com উত্তর: মাসিক কোন রোগ নয়, বরং এটি একটি স্বাভিাবিক ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। বয়:সন্ধিকালে সব মেয়েরই মাসিক হয়। মাসিক হলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সকল নিয়ম মেনে বাসার সকল কাজ যেমন: রান্নার কাজ করা, গরুকে খাবার দেয়া, খেলাধুলা করা, স্কুলে যাওয়া এ সব করা যায়। এতে কোন ক্ষতি নেই। আর মাসিকের সময় বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিৎ। বয়:সন্ধি ও মাসিক সম্পর্কে আরও পড়তে ভিজিট করুন www.rituonline.org.

প্রশ্ন কর্তার নাম ও ইমেইল: পঙ্কজ হাওলাদার, pankojhowlader22@gmail.com উত্তর: সাধারণত প্রতি ২৮ দিন পর পর মাসিক শুরু হয়। মাসিক শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকে পরবর্তী মাসিকের প্রথম দিনের মধ্যকার সময়ের ব্যবধান ২৮ দিন। এই ব্যবধানের চক্রকে বলা হয় মাসিক চক্র। তবে মাসিক ২৮ দিনের কিছু আগে বা পরে হতে পারে। এতে কোন সমস্যা নেই। কোন কারণে যদি এই মাসিক শুরু হতে বেশি দেরি হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিৎ। তবে এতে ভয় পাবার কিছু নেই। বয়:সন্ধি ও মাসিক সম্পর্কে আরও পড়তে ভিজিট করুন www.rituonline.org.

প্রশ্ন কর্তার নাম ও ইমেইল: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মেয়েদের তলপেটের জরায়ুর দু’পাশে দু’টি ছোট থলি থাকে যাকে ওভারি বা ডিম্বাশয় বলে। একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর মেয়েদের ডিম্বাশয় থেকে প্রতিমাসে একটি করে ডিম বা ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়। একে বলে ডিম্বস্ফোটন। পরে এই ডিম্বাণু ডিম্বনালির পথ দিয়ে দুই ডিম্বাশয়ের মাঝ খানে অবস্থিত জরায়ুতে এসে আশ্রয় নেয়। এই সময়ে জরায়ুতে ডিম্বানুকে ধরে রাখার জন্য রক্তে ভরা একটি পর্দা বা আস্তরন তৈরী হয়। এই অবস্থায় ডিম্বানু ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডিম্বানু নিষিক্ত না হলে এই রক্তে ভরাপর্দা ও ডিম্বানু ফেটে যায় এবং যোনি পথ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এই ঘটনা ৩ দিন থেকে ১০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। প্রত্যেক মাসে হয় বলে এই ঘটনাকেই মাসিক বা ঋতুস্রাব বা রজ:স্রাব বা পিরিয়ড বা মিনিস্ট্রুয়েশন বলে। অনেকেই একে ’শরীর খারাপ বা অসুস্থতা বলে থাকেন, যা মোটেই ঠিক নয়। এটি শরীর খারাপ বা অসুস্থতার কোনো ব্যাপারই নয়, বরং একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ব্যাপার। বয়:সন্ধি ও মাসিক সম্পর্কে আরও পড়তে ভিজিট করুন www.rituonline.org

প্রশ্ন কর্তার নাম ও ইমেইল: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর: ঋতু অনলাইনে আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক হলে প্রথমেই আপনার পরিবারের মানুষদের অর্থাৎ মা, বাবা, ভাই, বোন বা কাছের কাউকে জানাতে হবে যেন তিনি আপনাকে প্যাড বা মাসিকের কাপড়ের ব্যবস্থা করে সাহায্য করতে পারেন। যদি স্কুলে মাসিক হয়ে যায় তবে স্কুলের শিক্ষিকাকে জানাতে হবে যেন তিনি আপনাকে সাহায্য করতে পারেন। এ সময় একেবারেই ঘাবড়ানোর কিছু নেই কারণ মাসিক প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক। এ সময় পরিস্কার কাপড় বা প্যাড পরিধান করতে হবে। প্রতি ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর পর প্যাড বা কাপড় পরিবর্তন করা, যাতে করে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ না হয়। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে, অন্যান্য সময়ের মত এসময়ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। বয়:সন্ধি ও মাসিক সম্পর্কে আরও পড়তে ভিজিট করুন www.rituonline.org ধন্যবাদ।

প্রশ্ন কর্তার নাম ও ইমেইল: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তরঃ তোমার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাসিক একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক বিষয়। তুমি যে মাসিকের সময়ও স্কুলে যেতে চাও তা অত্যন্ত ইতিবাচক একটি মনোভাব। মাসিকের সময় অবশ্যই স্কুলে যাবে। যদি কাপড়ে দাগ লেগে যায় তবে তা একটু বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বটে, কিন্তু এতে লজ্জার কিছু নেই। এই সমস্যা সমাধানে তুমি যা যা করতে পারো তা হচ্ছে-

  • শুধু মাসিকের সময় নয়, সবসময়ই স্কুলের ব্যাগে একটি বা দুটি বাড়তি প্যাড বা পরিষ্কার গামছা রেখে দিতে পারো
  • তুমি তোমার বান্ধবীদের সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারো। যদি প্রত্যেকেই তাদের ব্যাগে বাড়তি প্যাড রেখে দেয় তবে একে অন্যের প্রয়োজনে সাহায্য করতে পারে
  • মাসিক চলাকালে স্কুলে গেলে একটু ঘন ঘন দেখতে পারো, প্যাড উপচে পড়ছে কিনা
  • ছোট্ট একটা সাবান রাখতে পারো। যাতে মাসিকের রক্ত লেগে গেলে তা সাবান দিয়ে আলতোভাবে ধুয়ে ফেলা যায়
  • বেশি সমস্যা হলে স্কুলে শ্রেণি শিক্ষিকাকে জানাতে পারো
সবচেয়ে বড় কথা, সব মেয়েরই মাসিক হয়। যদি দুর্ঘটনা বা অসাবধানতাবশত দাগ লেগেও যায়, তা নিয়ে লজ্জিত বা বিব্রত হওয়ার কিছু নেই। আত্মবিশ্বাসের সাথে বিষয়টি মোকাবেলা করতে হবে, কিছুতেই মনের জোর হারানো যাবে না।